2008-07-6
জিনিসটা অনেক নামে পরিচিত, যখন বের হয়েছিলো তখন সবাই ডাকতো থাম্ব ড্রাইভ। পরে ডাকতে শুরু করলো ইউএসবি পেন ড্রাইভ (আমাদের দেশে এখনো এই নামেই ডাকে) আর এখন ডাকা হয় ফ্ল্যাশ ড্রাইভ নামে।
আমি আমার জীবনের প্রথম ফ্ল্যাশ ড্রাইভ কিনেছিলাম ১৬ মেগাবাইটের। আমার তখন কি ভাব যে আমার ১৬ মেগাবাইট ফ্ল্যাশ ড্রাইভ আছে যেটা নিয়ে চিন্তা করতে হয়না। ফ্লপির মতন বার বার নষ্ট হয়ে যায়না আর চালাতে ফ্লপির মতন আলাদা ড্রাইভো লাগে না।
সেটা কিনেছিলাম মনেহয় ২০০১ সালে, তখন সেটার দিম নিয়েছিলো ৩,৭০০ টাকা। কিছুদিন পরে সেটা নষ্ট হয়ে যায় এবং ওদের কাছে নিয়ে গেলে সেটা বদলে আরও ১,০০০ টাকা নিয়ে একটা ৩২ মেগাবাইটের ফ্ল্যাশ ড্রাইভ দেয়। সেটা আজও আছে আমার। এখনো চলে!
আমি আমার জীবনে আর কোনোদিন ফ্ল্যাশ ড্রাইভ কিনে ব্যবহার করিনাই। এরপরে মাইক্রোসফট দিলো ১ গিগা একটা, সেটা ব্যবহার করতে করতে মুসা ভাই (এক বড় ভাই যার প্রজেক্টে অনেকদিন কাজ করেছি) দিলো একটা ২ গিগা বাইট। পরে মাইক্রোসফট থেকে আবার ভিস্তা রিলিজ উপলক্ষে রেডিবুস্ট ক্ষমতা সম্পন্ন একটা ২ গিগাবাইটের ফ্ল্যাশ ড্রাইভ। মুসা ভাই’র দেয়াটা হারিয়ে যাবার পরে মাইক্রোসফটের দেয়া ২ গিগাটা বহুদিন ব্যবহার করেছি।
এবার পেলাম এই ৩২ গিগা ফ্ল্যাশ ড্রাইভটা। একলাফে অনেকদুর। 
আমার এক ছোটোভাই আছে, নাম বর্ণ। নর্খ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রকৌশলী বিষয়ে লেখাপড়া করছে। এবার সে এটা গিফ্ট করলো আমাকে। আমেরিকাস্থ বিশ্বের উচ্চ মানের মেমরী নির্মাতা OCZ এর পণ্য এটা। এটা OCZ ATV নামে পরিচিত এবং বিরূপ আবহাওয়ার জন্য তৈরী করা হয়েছে বলে এর নাম দেয়া হয়েছে ATV.
বিশ্বের বাজারে এটা ২য় ৩২ গিগা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, এর আগেরটা বের করেছিলো কর্সএয়ার এবং গতি ভালো না হওয়ায় ওদেরটা বাজারে তেমন চলেনা।
Filed under ব্যক্তিগত | Comments (2)
2008-07-4
অনেকদিন থেকেই পরিচিত অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ শুনছি যে বিডিজবস্-এ সাইন-আপ করার পর থেকে তাদের ইমেইল বক্স আলতু ফালতু মেইল দিয়ে ভরে যাচ্ছে। হয়তো কিছুটা বেশী বলেছে, আমি সত্যতা যাচাই করার জন্য চার পাঁচ মাস আগে একটা ভুয়া একাউন্ট খুলি। এর পরে দেখি সত্যি সত্যি বিডিজবস্-এর মেইল ছাড়া আলতু ফালতু মেইল আসছে। অমুকটা দেখুন, তমুক করুন। এই সেমিনারে আসুন, ঐ ট্রেনিং-এ যান। আর কোনো মেইলি বিডিজবস্-এর ইমেইল থেকে না।
আমি ঘটনা বুঝে ফেললাম এবং বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখলাম। এরা দেশের প্রথম জব সাইট হলেও আশানুরূপ কিন্তু ব্যবসা নাই। এখন আবার অনেক জব সাইটও হয়ে গ্যাছে। বিডিজবস্-এর সাইটে গেলে দেখা যায় জঘণ্য ডিজাইনের বমির মতো বিজ্ঞাপন পড়ে আছে সাইটের প্রথম পাতায়। জাভাস্ক্রিপ্ট সেট করা আছে যাতে আপনার ব্রাউজার আপনা থেকে বড় হয়ে যায় (যদি ছোট থাকে) এবং সব বিজ্ঞাপণ আপনি দেখতে পান। আপনি চাইলেও সেটা বন্ধ করতে পারবেন না।
এরা কি আসলেই বিজ্ঞাপণের জন্য টাকা পায়, না। এরা বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন লাগাতেই থাকে যতক্ষণ লাগানো যায়। পরে কিছুদিন হয়ে গেলে এদের মার্কেটিং থেকে ঐ কোম্পানিতে গিয়ে অনুরোধ করে ভাই এতদিন ধরে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে রেখেছি কিছু টাকা দেন। ফকির যখন কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করে রাস্তায়, তখন আপনি কি করেন? এই ক্ষেত্রেও কিন্তু তেমন কোনো ব্যতিক্রম হয়না। কিছু টাকা আয় হয়ই।
আবার দেশের অনেক ছেলেপেলে ভালো একটা সুযোগের সন্ধানে এখানে রেজিস্ট্রেশন করে, সেই ইমেইল ঠিকানাগুলি এরা সংগ্রহ করে। মনে করেন আপনি একটা কিছু করতে যাচ্ছেন, ঠিক আপনার যেই ক্যাটাগরির লোককে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রন জানানো দরকার ঠিক সেই ক্যাটাগরির পাবলিকদের ইমেইল ঠিকানাগুলিতে মেইল পাঠিয়ে তাদেরকে আমন্ত্রন জানাতে পারছেন। তাই আপনার দরকার হলে বিডিজবস্-কে টাকা দিয়ে ঐ ঠিকানাগুলিতে মেইল পাঠাবেন।
বিডিজবস্-এ প্রোফাইল খুলে যদি এরকম অশান্তি হয়, তাহলে কিন্তু ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যাবে। এমন একটা সময় ছিলো যখন মানুষ এই স্প্যাম বিষয়টা বুঝতো না। আমি একটা নতুন ইমেই ঠিকানা খুললাম, সেটা দিয়ে বিডিজবসে রেজিস্ট্রেশন করলাম, আর সাথে সাথে আমার মেইলবক্সে অবাঞ্চিত মেইল আশা শুরু হলো, এটা কেমন কথা।
আপনি যদি সেরকম মেইল পাঠাতেই চান, তাহলে রেজিস্ট্রেশনের সময় বলে দিলেই পারেন যে আপনারা এমন করবেন, বা ব্যবহারকারীদেরও পছন্দ দিতে পারেন যে আপনি এরকম মেইল চান কি না। বা মেইলগুলি পাঠিয়ে শেষে লিখে দিতে পারেন যে আর এরকম মেইল পেতে না চাইলে এখানে ক্লিক্ করুন। কিন্তু বিডিজবস্ কোনোটাই করছেন না।
এটা কিন্তু অভদ্রতা।
Tags: বিডিজবস্, BDjobs
Filed under আইটি বিশ্ব, মন্তব্য | Comments (3)
2008-07-1
এইচটিসি মোবাইল ফোন, কল্পনার চাইতে অনেক বেশী! উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত ঝামেলাবিহীন স্মার্ট মোবিলিটি। আমি যেটা নিলাম সেটার মডেল হলো HTC Touch 3452.
এর হার্ডওয়্যার:
প্রসেসর: OMAP850, গতি: 233 MHz
মেমরি: 128MB
ফ্ল্যাশ মেমরি: 400MB
ডেটা বাস: 16 bit
মনিটরের রঙ: 65536
রেজ্যুলেশন: 240×320
মাপ: ২.৮ ইঞ্চি
ধরণ: টিএফটি টাচ্ স্ক্রিণ
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল (দেখতে অনেকটা ভিস্তার মতন
)
আমি সত্যি এটা ব্যবহার করে আনন্দিত। এক বৈচিত্র আমি আইফোনেও দেথি নাই। এবার আসি এতে কি কি বৈশিষ্ঠ্য আছে:
ওয়েব ব্রাউজার: মাইক্রসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (পকেট এডিশন)
অফিস: পকেট অফিস - Word, Excel, Outlook, Adobe PDF viewer
ভিএম: জাভা MIDP 2.0
EDGE: Class 32
WLAN: Wi-Fi 802.11b/g
Bluetooth: Yes, v2.0 (A2DP সহ)

এইচটিসি মূলত একটি ভারতীয় কোম্পানী। ওদের টার্গেট হচ্ছে নিত্য নতুন গ্যাজেট উপহার দেয়া তাও আবার অনেক সস্তায়। আমাদের বাংলাদেশে গ্লোবাল ব্রান্ড এইচটিসি টাচ্-এর একটা মডেল বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। দামটা খারাপ না।
আমি আইফোন ব্যবহার করেছি আগে, এটা আইফোনের থেকে অনেক ভালো বলা যেতে পারে কিছু কিছু ফিচারের দিক দিয়ে। যেমন এর জন্য হাজার হাজার এপ্লিকেশন পাওয়া যায়, স্কাইপি, গুগল্ ম্যাপ, ডিআইভিএক্স প্লেয়ার, আরও কত কি! আছে মোজিলার ব্রাউজার মিনিমো। এতে ব্লুটুথ বা কেবল দিয়ে গান বা ভিডিও ঢুকিয়ে দিলেই চলে, যেটা আইফোনে আইটিউন্স দিয়ে করতে হয়। আইফেনো ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে কি করতে হবে আমার জানা নাই। এটার ব্যাটারি পরিবর্তনযোগ্য এবং মেমরি কার্ড নিজের ইচ্ছা মতন ব্যবহার করা যায়। আমি একটা ৮ গিগা লাগিয়ে নিয়েছি। সবচাইতে ভালো বিষয় হলো আইফোনের চাইতে এর সাইজ অনেক ছোটো এবং হালকা।
এইচটিসি বাজারে আসার পরে ভুয়া কিছু কোম্পানী আসলেই ভয় পেয়ে গিয়েছে। যেমন ব্ল্যাকবেরি, কোনো কাজ কাম নাই, হুদাই দাম।

আর এটার সাথে ব্যবহার করছি সনিএরিকসনের HBH-DS970 স্টেরিও ব্লুটুথ হেডফোন। জটিল কম্বিনেশন হয়েছে।
সাউন্ডের ক্ষেত্রে সনির বিকল্প নাই বলে আমার মনে হয়।
খুব মজায় আছি এটা নিয়ে।
Tags: আইফোন, উইন্ডোস, এইচটিসি, টাচ্, ব্লুটুখ, ব্ল্যাকবেরি, সনিএরিকসন, Bluetooth, HTC, Sonyericsson, Touch, windows
Filed under ব্যক্তিগত, মোবাইল | Comments (10)
2008-06-27
আমার মনে হয় সকলেই জানেন যে কিছুদিন আগে মোজিলা এক দিনে সর্ব্বোচ্চ ডাউনলোড করার রেকর্ড সৃষ্টি করতে চাইছিলো। আন-অফিসিয়ালি ওরা রেকর্ড সৃষ্টি করেছেও, কিন্তু এখনো অফিসিয়াল হতে বাকি আছে। গিনিজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের লোকজন এটা যাচাই করে পরে অফিসিয়াল ঘোষণা দিবে।

এই আয়োজনের শুরুতে সবাইকে মোজিলা ইমেইলের মাধ্যমে নিবন্ধিত হবার জন্য আহ্বান জানায়। যারা ইমেইল ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধিত হয়েছে, তাদের ডাউনলোডের দিন সকাল বেলা (বাংলাদেশ সময় রাত) ইমেইল করে জানিয়ে দেয়া হয়েছিলো যে এখন আপনারা ডাউনলোড শুরু করতে পারেন। ৫/৬ দিন পরে দেখি আমার জাঙ্ক ফোল্ডারে একটা মেইল, সেটাতে লিখা যে আপনি ডাউনলোড করার সনদ পেতে চাইলে এই লিঙ্কে গিয়ে নাম লিখান, নাম লিখালাম এবং পরে একটা PDF সনদ আমাকে মেইল করে দিলো।
আমি খুশি 
Tags: ডাউনলোড, ফায়ারফক্স, সনদ, Certificate, Download, Firefox
Filed under ব্যক্তিগত | Comments (2)
2008-06-19
মোবাইল পকেটে নিয়ে বেড়ানোটা একটা যন্ত্রনা। আমি মোবাইল শুধু কথা বলার জন্যই ব্যবহার করি। এছাড়া মোবাইল ব্যবহারকে এড়িয়ে যেতে চাই। আর সেটা যদি পকেটে নিয়ে না বেড়িয়ে হাতে পড়ে বেড়ানো যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

ছোটোবেলা টিভি সিরিজ নাইট রাইডার দেখতাম। মাইকেল নাইট তার গাড়ী কিট্ এর সাথে ঘড়ি দিয়ে কথা বলতো দূরে থেকে। বাপীকে জিজ্ঞেস করতাম এটা কি সম্ভব, বাপী সোজা সাপ্টা উত্তর দিতো, যত্ত সব গাঁজিখড়ি গল্প। হাঃ হাঃ হাঃ
এখন ২০ বছর পরে কিন্তু এটা সম্ভব। মানুষের কল্পনা প্রবণতার কারনেই আজকে এত কিছু উদ্ভাবন করেছে। জুলভার্ণ আমার দাদার আমলে যা লিখেছে বা ভিঞ্চি সেই সময় যা লিখেছে, সেগুলি কিন্তু পরে বাস্তব হয়েছে। আজকে আমি যেমন হাতে পেলাম V2 সিরিজের এই চাইনিজ মোবাইল ফোনটি। চাইনিজ হবার জন্য দামও সস্তা (US$250.00 প্রায়) আর ফিচারও অনেক।

প্রায় ১৫ দিন আগে আমি প্রথম এটি আমেরিকার একটি অনলাইন দোকানে দেখি। ওদেরকে বললে ওরা বলে এটা নাকি তখনি বাজারে এসেছে এবং হট কেকের মতন বিক্রি হচ্ছে। ঐ দোকান থেকে আমার কেনার ক্ষমতা থাকলেও ওরা বাংলাদেশে পাঠাবে না। ইন্টারনেটে আরও খুঁজতে খুঁজতে দেখি মালয়শিয়ার একটি অনলাইন দোকান এটি বিক্রি করছে এবং এরা বাংলাদেশেও পাঠায়।
আর কি, অনলাইনে অর্ডার করলাম। তারপরে ভেরিফিকেশন, প্রসেসিং ইত্যাদী মিলায়ে ১ সপ্তাহ চলে গেলো প্রায়। আজকে সকালে ডিএইচএল থেকে কাগজপত্র দিয়ে গেলে আমি সাথে সাথে জিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আমার পরিচিত এক সিএন্ডএফ এজেন্ট আছেন, উনাকে কাগজপত্র দিয়ে একটু ঘোরাঘুরি করে আবার জিয়ায় আসলাম। উনি ফোনে জানালেন আপনারটা নিয়ে ক্যারা লাগছে। মোবাইল যত দামীই হোক শুল্ক ৳১৩০০.০০ এর উপরে না। কিন্তু অফিসাররা বলে এটার উপরে ঘড়ির শুল্ক আরোপ করবে এবং ১০০% শুল্ক নিবে। যাই হোক আমার এজেন্ট বেশ ঝানু ছিলেন, ওটা সিম লাগিয়ে চালু করে কথা বলিয়ে দিলেন অফিসারকে।

আর কি সেটা নিয়ে মনের ফুর্তিতে বাসায় আসলাম। সেটটা ভালই হয়েছে…
Tags: ঘড়ি, মোবাইল, Cell, Mobile, Phone, V2, Watch, Wrist
Filed under আইটি বিশ্ব, ব্যক্তিগত | Comments (7)
2008-06-19
অনেক প্রতিক্ষার পরে শেষ পর্যন্ত গতকালকে মোজিলা ফায়ারফক্স ৩ সাধারণ ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করলো। সবাই হুড়োহুড়ি করে ডাউনলোড করেছে ফায়ারফক্স ত এবং এখনো করছে, কিন্তু আমি একটু জানাতে চাই কি আছে এই নতুন সংস্করণে…
প্রথমে জানা যাক কি কি নতুন থাকছে এখানে-
আরও নিরাপদ
- ফায়ারফক্স ৩ এখন আরও নিরাপদ। কোনো সিকিওর সাইটে গেলেই ঠিকানার পাশেই দেখা যাবে সার্টিফিকেট গ্রাহকের নাম এবং আপনি বুঝতে পারবেন সেটা ব্যবহার করা ঠিক হবে কি-না। আর যদি ঝামেলা মনে হয় সেখানেই লাল চিহ্ন দিয়ে দেখাবে এই সাইটটি নিরাপদ নয়।
- কোনো প্লাগইন যদি নিরাপত্তাজনক সমস্যায় ভোগে বা নিরাপত্তায় সমস্যা তৈরী করে, তাহলে সেটা ব্যবহার থেকে সংয়ক্রিয়ভাবে বিরত থাকবে।
- সাধারণত ফায়ারফক্স এক্সিকিউটেবল ফাইল ডাউনলোড করে খুলতে দিতে চায়না। অনেক ব্যবহারকারীর জন্য এটা নিরাপদ আবার অনেকেই এটা পছন্দ করেননা। তবে এখন তা ডাউনলোড করে খোলা যাবে যদি আপনার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকে।
- অনেক সাইট আছে যারা অন্য সাইটের মত চেহারা করে আপনার তথ্য চুরি করতে চায়। যাকে আমরা ফিশিং বলি। এবার এই ফিশিং ফিল্টার আর উন্নত করা হয়েছে।
- নোংরা সাইট ব্যবহার থেকে বঞ্চিত রাখার জন্যও ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে।
ব্যবহারে আরও সহজ
- পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সহজ করা হয়েছে এবং ওখন সহজেই পুরাতন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড উন্নয়ন করা যাবে।
- অ্যড অন বা প্লাগ-ইন এবং স্কিন আগের চাইতে অনেক সহজে ইনস্টল করা যাবে।
- ডাউনলোড ম্যানেজার আরও উন্নত করা হয়েছে। সহজেই জানা যাবে কোথা খেকে কি নামিয়েছেন এবং কোথায় রেখেছেন। ডাউনলোড রিজিউম আগের চাইতে উন্নত।
- কী-বোর্ড সর্টকাট দিয়ে ইমেজ, ম্যানু ইত্যাদী জুম করা যাবে।
এরকম বহুত সুযোগ সুবিধা নিয়ে আসলো ফায়ারফক্স ৩ আর এখনো কিছু কিছু ছোটো খাটো সমস্যা রয়ে গ্যাছে যেগুলি তারা মাইনর রিলিজে ভবিষ্যতে ঠিক করে ফেলবে। আপনি যদি এখনো ফায়ারফক্স ডাউনলোড না করে থাকেন, তাহলে এখনই এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
Tags: ফায়ারফক্স, মোজিলা, Firefox, Mozilla
Filed under আইটি বিশ্ব, ওপেন সোর্স | Comments (4)
2008-06-6
হ্যপি বার্থডে টু ইবান। আজ থেকে চার বছর আগে এই দিনে ইবান এই পৃথিবীতে আসে। গতবছর অবশ্য এটা নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম। তাই আর নতুন করে কিছু বলছিনা। আজও বৃষ্টি হয়েছে, যেমন হয়েছিলো ওর জন্মের দিন।
আশেপাশের প্রতিবেশীদের নিয়ে ছোট্ট একটা অনুষ্ঠান করলাম। খুবই মজা হয়েছে। যারা এসেছে তাদেরকে আসার জন্য ধন্যবাদ আর যাদের অনুষ্ঠানে ডাকতে পারি নাই, তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। আর যারা আসতে পারেন নাই, তারা দূর থেকেই আমার ইবানের জন্য দোয়া করবেন।
অনুষ্ঠানের ছবিগুলি দেখা যাবে এখান থেকে।
ইবান এখন বেশ বড় হয়েছে। ভালো লাগা মন্দ লাগা প্রকাশ করতে পারে। ওর জন্য পৃথিবীর সবচাইতে কষ্টকর বিষয় হলো খেতে বসা। সব বাচ্চারা যা পছন্দ করে, ও তা করে না, সবাই যেটা করতে বলে, সেটা ও করেনা। নিজে যেটা ভালো বলবে সেটা ভালো, যেটা ভালো বলবে না, সেটা শত চেষ্টা করলেও ভালো করা যাবেনা ওর কাছে।
Tags: ইবান, জন্মদিন, পরিবার
Filed under ব্যক্তিগত | Comments (17)